✸ এখানে প্রত্যেকটি বইয়ের পরিচিতি দেখুন
✸ লিংকে গিয়ে বইটি পড়ে দেখুন
✸ বাসায় বসে পেতে অর্ডার করুন
✸ ফেইসবুকে আলোচনা করুন
![]() |
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে আমাদের জীবনএই যন্ত্র বুদ্ধির ভেতরের কিছু কৌশলপ্রকাশক: অনন্যা ডিসকাউন্ট-পূর্ব মূল্য: ৫০০ টাকা ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |
বইটি পড়ে দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন
এখানে ক্লিক করে বইটি অর্ডার করুন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আমাদের জীবনের সঙ্গে ক্রমেই জড়িয়ে যাচ্ছে। শিগ্গির এটি আমাদের জীবন-জীবিকাকে অচিন্তনীয়ভাবে বদলে দেবে। এর সঙ্গে পরিচিত হওয়া, এর ওপরে একটি প্রাকৃতিক সাক্ষরতা পাওয়া এখন সবার জন্য জরুরী। সহজ ও উপভোগ্যভাবে বইটি সেটিই দেবার চেষ্টা করেছে। |
এ গল্পের একবারে না চাইতেও এআই অন্তত ফোনের মধ্যে ঠিক আমার প্রিয় খবরগুলো, ভিডিওগুলো নিজ বুদ্ধিতেই খুঁজে সামনে আনছে। আর অন্যরাও এআইয়ের বুদ্ধিতে তাদের নানা কাজ করছে, সমস্যা সমাধান করছে, এমনকি একেবারে ব্যক্তিগত সমস্যাও। আরো বড় কথা অফিস-আদালতে-কলকারখানায় আমরা সবাই যে যা করছি- শিগ্গির এআই সবই নিজে করার উপক্রম হচ্ছে। অর্থাৎ শিগ্গির আমরা কর্মহীন হতে পারি, অনেকে ইতোমধ্যে হয়ে গেছেও। আমরা নিজেরাও এআইয়ের হাতে অনেক কাজ ছেড়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত হচ্ছি – ব্যবসা বাণিজ্য চালানোসহ দুর্দান্ত সব গুরুত্বপূর্ণ কাজ, অনেকগুলো অত্যন্ত সৃষ্টিশীল কাজও। এআই মানুষের মতই সাধারণ বুদ্ধির অধিকারী হতেও হয়তো বেশি দেরি নেই, এমনকি মানুষকে ছাড়িয়ে সুপার ইন্টেলিজেন্টে আজকের বাস্তবতা ও আগামির এই সম্ভবনাগুলো নিয়ে জানার ও প্রস্তুতির কোন বিকল্প কারো সেতেই নেই। এ বইয়ে উপভোগ্যভাবে কাজের রুপরেখা অন্তত পাওয়া যাবে। এই বুদ্ধির ভেতরের মেশিনকেও সামনে আনার চেষ্টা হয়েছে সহজ উদাহরণে যাতে কোন মতেই একে একটি রহস্যময় কালো রেখা মনে করতে না হয়।
![]() |
দুই বুদ্ধি প্রকাশক: অনন্যা |
বইটিপড়েদেখারজন্যএখানেক্লিককরুন
এখানে ক্লিক করে বইটি অর্ডার করুন
| এটি এ শতাব্দীর ষাটের দশকের পটভূমিতে একটি সাধারণ জীবন যাপনের গল্প। ও সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পুরোপুরি মাখামাখি না হয়ে জীবনযাত্রার কথা কল্পনাই করা যায়না। বাংলাদেশের একজন নারী বিজ্ঞানী ও তাঁর পরিবারই গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে। কিন্তু সবখানে অন্তরঙ্গ মানুষ এবং কাজের মানুষের মত তাঁদের সঙ্গে থাকছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় সমৃদ্ধ রোবটরাও – কেউ অবয়বে, কেউ পর্দায়। |
এ গল্পের মধ্যে প্রচুর ভাবনা চিন্তা রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে – এই বুদ্ধি চেতনা ও কান্ডজ্ঞান কি কখনো পাবে? পাওয়ার চেষ্টাগুলো কিন্তু পুরাদমে চলছে। বাংলাদেশী সমুদ্র-বিজ্ঞানী সোফিয়া, তাঁর পরিবারের খুবই চিন্তাশীল নানা সদস্য, তাঁদের দেশী-বিদেশী বন্ধুরা সবাই আসলে বিশ্ব নাগরিক। আসল গুরুত্ব এখন বিশ্ব ব্যবস্থার ওপর। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হাতে অনেক দৈনন্দিন দায়িত্ব চলে যাওয়াতে সবার জীবনে সাহিত্য-শিল্প-বিজ্ঞানের ছোঁয়াটি আরো অনেক বেশি অর্থবহ হতে পেরেছে। যন্ত্রকে বুদ্ধিমান করতে তাঁদেরও নানা অবদান চলছে, যন্ত্রের সঙ্গে তাঁদের অনেক কাজ তখনো। কিন্তু জীবনের যান্ত্রিকতা থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ এভাবেই এসেছে।

