Dr. Ibrahim’s Book

এখানে প্রত্যেকটি বইয়ের পরিচিতি দেখুন

লিংকে গিয়ে বইটি পড়ে দেখুন

বাসায় বসে পেতে অর্ডার করুন

ফেইসবুকে আলোচনা করুন

 

শিকড়:
জিন, জীবন-ধারা ও ভাষার প্রবাহ
আফ্রিকা থেকে চট্টগ্রাম

প্রকাশক: অনন্যা

ডিসকাউন্ট-পূর্ব মূল্য: ৫০০ টাকা
২০২১

এই লিংকে গিয়ে বইটি পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:


বইটি
সম্পর্কে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস লিখেছেন:

“মোটেই বুঝতে পারিনি যে বইটি আমাকে একেবারে মাতিয়ে তুলবে। বইটি কিছুতেই হাত থেকে ছাড়তে পারছিলামনা। ছোটবেলায় রহস্য উপন্যাসে যে রকম মজে যেতাম শিকড় পড়তে গিয়ে আবার সেই আমেজ ফিরে পেলাম। আগ্রহের এমন উত্তেজনা নিয়ে কোন বই পড়েছি এমন ঘটনা গত বহু বছরের মধ্যে ঘটেছে বলে মনে আসছেনা ; শিকড় পড়ার সময় কোনো সময় মনে হয়নি আমি কোন গবেষণামূলক বই পড়ছি। সব সময় মনে হচ্ছিলো আমি দীর্ঘপথ ধরে আমার পারিবারিক পরিক্রমার কাহিনী পড়ছি .. মানুষের অভিবাসন নিয়ে লেখা বই পড়তে গিয়ে কারো চোখে পানি এসে যাবে এরকম কোনদিন কল্পনা করিনি।..

বইটি একটি গবেষণা গ্রন্থ, এতে এমন কিছু নেই যাকে বৈজ্ঞানিক ভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত করা হয়নি, তথ্যের দিক থেকে এ এক ঠাস-বুনোট বই। অথচ লেখক একে পরিবেশন করেছেন ভ্রমণকাহিনীর সাবলীলতা দিয়ে যা তরতর করে পাঠককে এগিয়ে নিয়ে যায়।

.. ড. ইব্রাহীমকে ধন্যবাদ এই বই লেখার জন্য, আমার মত অনেককে নতুন দৃষ্টি ভঙ্গি দেয়ার জন্য। প্রত্যেকে নিজে পড়লে এবং ছেলে-মেয়, নাতি-নাতনীদেরকে পড়তে উৎসাহিত করলে, এবং তাদের সঙ্গে বিষয়গুলো আলাপ করলে সবাই উপকৃত হবেন ও আনন্দ পাবেন বলে মনে করি।

 

বইটির পরিচিতি 

  আমরা আজ নানা জন নানা দেশে। কিন্তু আমাদের সবার শিকড় অতীতে এক এক জায়গায় পরস্পরের সঙ্গে মিশেছে। নিজের বহু অভিবাসনের মাধ্যমে মানুষ নিজেই এই শিকড়ের প্রবাহগুলোকে নানা গন্তব্যে নিয়ে গিয়েছে। এটি সেই চির-অভিবাসীদের কাহিনী।  

মানুষের জীবনকালটি ছোট, কিন্তু মানব জাতির ধারাবাহিকতাটি অনেক বড়। আমরা এই ধারাবাহিকতার মধ্যে আমাদের শিকড়কে সন্ধান করি। এই বইয়ে সেই শিকড়কে আমরা আমরা চলে যেতে দিয়েছি অনেক গভীরে, আমাদের একেবারে আদি পূর্বপুরুষদের জগতে। সেখান থেকে শুরু করে এ শিকড় নানা কাল ধরে, নানা দেশ ঘুরে, আমাদেরকে রস যুগিয়েছে– জিন, জীবনধারা আর ভাষার প্রবাহে। জিন প্রবাহিত হয়েছে বাবা-মা থেকে সন্তানে; জীবনধারা এক ভাবে শিক্ষক থেকে ছাত্রে; আর ভাষা মানুষে মানুষে কথোপকথনে। এই সবকটি প্রবাহের গতিপথের ছবি পাওয়া যাবে এই বইতে। এই গতিপথের একটি গন্তব্য আমাদের দেশ; বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও তার আশপাশের জায়গা। চট্টগ্রামকে এখানে মানব প্রবাহের হাজারো গন্তব্যের একটি প্রতিনিধি হিসেবে নেয়া হয়েছে,  এর সঙ্গে লেখকের অন্তরঙ্গ পরিচয়ের কারণে । তার ভাষা, তার সংস্কৃতি, এবং তার ঝলোমলো দিনের ইতিহাস– এই সব স্বকীয়তা নিয়ে এই গন্তব্য। শিকড়ের গল্পটি এমন যে সে বহু কাল বহু দেশ হয়ে এসে আজকের আমাদের যে কারো অনুভূতিতে হিল্লোল তুলতে পারবে।

 

কোয়ান্টাম
তত্ত্বের
আজব দেশ


প্রকাশক: সুবর্ণ
ডিসকাউন্ট-পূর্ব মূল্য ৩০০ টাকা
২০২১

এই লিংকে গিয়ে বইটি পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

 

 বইটির পরিচিতি 

  অণু পরমাণুর মত ক্ষুদ্র জিনিসের আচরণ একমাত্র কোয়ান্টাম তত্ত্ব দিয়েই বোঝা যায়। অথচ এই তত্ত্ব  আমাদের সাধারণ নিয়ম মানেনা, ও বড়ই আজব।

এটমের থেকেও অনেক ক্ষুদ্র যে ইলেকট্রন কণিকা তার একটি ছুটে যাচ্ছে, তার সামনে পাশাপাশি দুটি সরু ফাটল। ফাটলের ভেতর দিয়ে পার হয়ে ইলেকট্রনটি আঘাত করলো একটি সংবেদী পর্দাতে যাতে ইলেকট্রনের আঘাত আলোর ফোটা সৃষ্টি করে। দেখা গেলো ইলেকট্রনটি পর্দায় পর পর আলো আর আঁধারের একটি ঝালর সৃষ্টি  করলো- শুধু একটি ফোটা সৃষ্টি করার বদলে। এ এক আজব ব্যাপার। বস্তুর কোন কণিকা তো এরকম করতে পারেনা, একমাত্র তরঙ্গই পারে একই সঙ্গে দুই ফাটলের মধ্য দিয়ে গিয়ে এমন ঝালর সৃষ্টি করতে। ইলেকট্রন তাহলে একটি তরঙ্গও বটে, বস্তু তরঙ্গ! এ তরঙ্গে কোন জিনিসটি  ওঠানামা করে? না তাতে আমাদের পরিচিত কিছু ওঠানামা করেনা; বরং এটি সম্ভাবনার উঠানামা, একটি গাণিতিক তরঙ্গ মাত্র। ইলেকট্রনটি পর্দার কোন্ জায়গায় গিয়ে পড়ার সম্ভাবনা কতখানি সেটিই এটি সেটিই প্রকাশ করে। এমনি ঘটনা যে তত্ত্ব সৃষ্টি করলো সেটিই কোয়ান্টাম তত্ত্ব। এ তত্ত্ব শুধু সম্ভাবনার কথা বলে বটে, কিন্তু তা বাস্তবের সঙ্গে নিখুঁত ভাবে মিলে যায়। খুব সহজ ভাবে পদার্থবিদ্যার এই কেন্দ্রীয় তত্ত্বটিকে বুঝিয়ে দিচ্ছে এই বই। ব্যাখ্যা করছে পুরো কোয়ান্টাম জগতটাকেই।

 

বিজ্ঞান জিনিসটি কী?
(১ম খন্ড)

ভেবে জানা ও দেখে জানার ইতিহাস

প্রকাশক: অনন্যা
ডিসকাউন্ট-পূর্ব মূল্য: ৪৫০ টাকা
২০১৯

এই লিংকে গিয়ে বইটি পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

বইটির পুস্তক সমালোচনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপিকা .সালমা বিনতে শফিকের মন্তব্য:

” ঝরঝরে সাহিত্যের মতো সুখপাঠ্য ভূমিকা শেষে সূচিপত্র দেখে বিষয়বস্তু আরো পরিষ্কার — বিজ্ঞান একেবারেই মানবিক। ..সহজ গল্প বলার ঢঙে বলে যান লেখক  বিজ্ঞানের আসল স্বরূপের কথা. .. তার ভবিষ্যৎবাণীর ক্ষমতাই বিজ্ঞানের আসল সাফল্য।  বার বার অসংখ্যবার যখন সব ক্ষেত্রে এই ভবিষ্যৎবাণী ফলে যায় তখনি প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় বিজ্ঞানের কোনো নীতি , সবার দারুন আস্থা সৃষ্টি হয় তার ওপরে, বিজ্ঞানের ওপরে। বইয়ের শেষ অধ্যায়ে লেখক উনিশশো সত্তরে এপোলো ১৩ এর চন্দ্র  অভিযানের সময় যান্ত্রিক গোলযোগ ও বিস্ফোরণের পর মূল রকেট, জ্বালানি , নিশ্বাস নেবার অক্সিজেন , কম্পিউটার সব কিছু হারিয়ে ফেলার পরও তাৎক্ষনিক হিসেবনিকেশ করে বিকল্প পরিকল্পনায় তিন মহাকাশচারীর পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তনের শ্বাসরুদ্ধকর বর্ণনা দিয়েছেন। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো তিনশো বছর আগে নিউটনের বাতলে দেয়া গতিসূত্রই তিন নভোচারীকে ফিরিয়ে আনায় প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। .. আলোচ্য গ্রন্থটিতে ইতিহাসের স্বাদ , গন্ধ  ও আমেজ পাওয়া যায়।  একজন পদার্থ বিজ্ঞানীর রচনা হলেও ইতিহাস তথা মানববিদ্যার যে কোনো শাখার শিক্ষার্থীর পাঠ্য হতে পারে আলোচ্য গ্রন্থটি।   

 

বইটির পরিচিতি 

  বিজ্ঞান শুধু প্রযুক্তিকে পরীক্ষা করে পাওয়া যায় এ কথা ঠিক নয়। এর অনেক খানি আসে বিজ্ঞানীর মস্তিষ্ক থেকে। সে ভাবে আসাকে বলা যায় ভেবে জানা। অবশ্য পরে প্রকৃতির সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখেও জানতে হয়।  

বিজ্ঞানী কী ভাবে বিজ্ঞানকে সৃষ্টি করেন তা দেখলেই বিজ্ঞান জিনিসটি আসলে কী তা ঠিক ভাবে বোঝা যায়। বিজ্ঞানীর বিজ্ঞান সৃষ্টির কাজ আদিকাল থেকেই চল্ছে। এই বইয়ে প্রমাণ দেয়া হয়েছে যে বিজ্ঞান মানুষেরই সমবয়সী, আর সে বিজ্ঞান প্রধানত প্রকৃতির মধ্যে নয় বরং বিজ্ঞানীর মস্তিষ্কেই তৈরি হয়েছে। একটি আনুমানিক তত্ত্ব তাঁরা ভেবে বের করেন, তারপর হাতে কলমে পরীক্ষা করে দেখেন সেই তত্ত্বটি কাজ করে কিনা। যদি কাজ না করে তাহলে আরেকটি আনুমানিক তত্ত্ব  দিয়ে চেষ্টা করেন। এর অনেকগুলো উদাহরণ দিয়ে এ বই দেখিয়েছে বিজ্ঞানী কী ভাবে এই পদ্ধতিতে প্রকৃতির বিশ্বাসযোগ্য ছবিটি বের করে আনেন। এসব কৌশল একদিনে সৃষ্টি হয়নি। বিজ্ঞানের ইতিহাস যেমন বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের সৃষ্টির কাহিনী বলে, তেমনি সে তত্ত্বের আবিষ্কারের পদ্ধতিগুলো কী ভাবে ধীরে ধীরে বিকশিত হয়েছে সে কথাও বলে। কয়েক হাজার বছর ধরে চলা সেই বিকাশটি এ বই তুলে ধরেছে জগত-জীবন সম্পর্কে মানুষের ধারণা পাল্টে দেয়া অনেক আবিষ্কারের উদাহরণ দিয়ে।

 

বিজ্ঞান জিনিসটি কী?
(২য় খন্ড)
এ কেমন বাস্তবতা

প্রকাশক: অনন্যা

ডিসকাউন্ট-পূর্ব মূল্য: ৪০০ টাকা
২০২০

এই লিংকে গিয়ে বইটি পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

 

বইটির পরিচিতি 

  প্রকৃতি খুবই জটিল, বিজ্ঞান তাকে সরল করে দেখিয়েছে। এ কাজে বিজ্ঞানের একটি কৌশল হলো প্রকৃতির গাণিতিক মডেল খাড়া করা। এর মধ্যে যে সব অদৃশ্য জিনিস বিজ্ঞানী কল্পনা করেন সেগুলোর বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেসব প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়েই এ বই দেখাবার চেষ্টা করে বিজ্ঞান জিনিসটি আসলে কী।  

মানুষের মস্তিষ্ক সরল জিনিস পছন্দ করে, তাই বিজ্ঞানী জটিল প্রকৃতির সরল ছবি নিংড়ে  আনেন। এ কাজে যে গণিত তাকে সাহায্য করে তা কিন্তু বিজ্ঞানের জিনিসের মত নয়; তা হলে গণিতের জিনিসগুলো কী রকম? মানুষের মস্তিষ্কে সৃষ্টি হওয়া এই গণিত বাইরের   প্রকৃতির কথা বলে কী ভাবে? এ এক অত্যাশ্চর্য ব্যাপার। এসব প্রশ্নের নানামুখী জবাব নিয়ে এই বই। বিজ্ঞানী ইলেকট্রন, এটম, রেডিয়ো তরঙ্গ ইত্যাদি অদৃশ্য জিনিস দিয়ে প্রকৃতির ছবি গড়েন। আমরা চেয়ার-টেবিলকে যে অর্থে বাস্তব বলি এই ইলেকট্রন ইত্যাদিও কি ওরকম বাস্তব? যদি না হয়, তা হলে বিজ্ঞানের বাস্তবতাটি কী রকম? সত্যিকার ক্ষেত্রে সে এতো সফলই বা হয় কী করে? এই  বাস্তবতার  প্রশ্নে না ঢুকে কেমন করে বুঝবো বিজ্ঞান জিনিসটি কী।

 

People and Science
An enthusiast’s memoir
1950-90Publisher: SubornoPre-discount price Tk. 400
2020

Please click here to read the book
Please go to this website to order the book

 

An Introduction to the book

  This is a memoir covering some forty years, that gives  a detailed personal observation of the society, individuals and the country. But this forms only the backdrop of the author’s life-long fascination with science, and his actions to take science  to the people.  

This is a memoir of Dr. Muhammad Ibrahim with an emphasis on the story how his childhood fascination with science grew into a life- long passion to take it to the people. We see here a child with his very own home laboratory, who starts a nationwide magazine in science while still in school. It narrates how he engages in the popularization of science  through journalism, writings, programs in  TV, science clubs, and an organization dedicated to this purpose. He invites the readers to the joys of the intricate details of these activities. In the background, the social and political upheavals in the country, as seen in the eyes of the author, himself  a student leader, are quite breath-taking.

 

আমি কে?
সেই সনাতন প্রশ্নের
আধুনিকতম বৈজ্ঞানিক উত্তর

প্রকাশক: অনন্যা

ডিসকাউন্ট-পূর্ব মূল্য: ৪৫০ টাকা
২০১৮

এই লিংকে গিয়ে বইটি পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

 

বইটির পরিচিতি 

  প্রশ্নটি প্রাচীন, আমি আমার নিজেকে কতখানি চিনি। যুগে যুগে মানুষ নানা ভাবে এর উত্তর খুঁজেছে। আধুনিক ডিএনএ বিজ্ঞান, বিশেষ করে মানব জেনোম প্রকল্প, জিনের ভাষায় এর উত্তর দেয়ার চেষ্টা করছে।  

এক সময় মনে করা হতো আমার মস্তিষ্কটি পাইলটের সামনে কলকব্জার মতো মাত্র, পাইলট যেই  আমি  সে তার বাইরে কোথাও আছি। এখন বিজ্ঞান বল্ছে মস্তিষ্ক নিজেই পাইলট, আর সে সাদা খাতার মত শূন্য অবস্থায় আসেনি, পূর্বপুরুষের ডিএনএ’তে বহন করে আনা অনেক কিছু ইতোমধ্যেই তাতে আছে- ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিমত্তা, নানা স্বকীয়তার অনেক কিছু। কোন কোন পরিবেশ অবশ্য সে সবের জন্য একটি ক্রান্তিকাল সৃষ্টি করে,  যেমন শিশু গর্ভে থাকাকালীন মায়ের মানসিক ও শারীরিক অবস্থা। ডিএনএ আর এমনি সব পরিবেশের আন্তক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট যেই আমি , তার একটি পরিচয় বইটি দেয়ার চেষ্টা করেছে। একেবারেই সাম্প্রতিক মানব জেনোম প্রকল্প দেখিয়েছে দুনিয়ার সব গোষ্ঠিতে ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদির ডিএনএ প্রবণতাগুলো একেবারেই ইতস্তত সমান ভাবে বন্টিত রয়েছে। প্রয়োজন শুধু সে সবের বিকাশের মত পরিবেশের।

 

মানুষের পায়ের
আওয়াজ

প্রাগৈতিহাসিক নানাজনের
বিজ্ঞান ভিত্তিক গল্প

প্রকাশক: অনন্যা
ডিসকাউন্ট-পূর্ব মূল্য: ৬০০ টাকা
২০১৭

এই লিংকে বইটি গিয়ে পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

 

বইটির পরিচিতি 

  লুসি, সাজুনি, কড়ি এমনি এক একজন মানুষকে নিয়ে বেশ কিছু গল্প এতে। ওরা প্রত্যেকে বাস করেছে প্রাচীন এক এক কালে, এক এক দেশে। প্রত্যেকটি গল্প জানা গেছে প্রত্নতাত্ত্বিক নানা উদ্ঘাটনে। সবই প্রাগৈতিহাসিক।   

এই বইয়ে এক এক জনের নামটি বানিয়ে বলা, মানুষটিও কাল্পনিক চরিত্র; কিন্তু বাকি সব সত্য। প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা ওই প্রাচীন মানুষের জীবনকে যতটাই সত্য ভাবে তুলে আনতে পেরেছে, এই গল্প ততটাই সত্য। এমনি একটি গল্পে দেখা যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্লোম্বোস গুহায় কিছু সময়ের জন্য বাস করা সাজুনিকে–৭০ হাজার বছর আগের তরুণী। এই বইয়ে সাজুনি একা নয়, তার মত আরো ৩৫ জন মানুষের আলাদা আলাদা গল্প এখানে রয়েছে। সব থেকে আগের গল্প লুসির,  ৩৫ লক্ষ বছর আগের; আর আমাদের কালের সব থেকে কাছের গল্পটি কড়ির, ৪০০ বছর আগের। ওরা এমন কালে এমন জায়গায় বাস করেছে সেখানে লিপি জিনিসটি ছিলনা, তাই ওদের সম্পর্কে লেখাজোকায় কিছু পাওয়া যায়নি। গল্পের জন্য তাই নির্ভর করতে হয়েছে তাদের জীবনের ফেলে যাওয়া নানা টুকিটাকির ওপর যা আজকের দিনে আবিষ্কৃত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা তাদের জীবন কাহিনী যতটা ওগুলো থেকে নিংড়ে নিতে পেরেছেন , তার ভিত্তিতেই গল্প। সেই নিংড়ে নেবার খুঁটিনাটি কৌশলগুলোও আলাদা ভাবে দেয়া হয়েছে প্রত্যেকটি গল্পের সঙ্গে। তবে ওদের প্রত্যেকে ছিল রক্ত- মাংসের জীবন্ত মানুষ, নিজের পরিবেশের বর্ণ-গন্ধের সঙ্গে এক হয়ে যাওয়া। সেই বহু হাজার বছর আগের জীবনকে ও পরিবেশকে পাঠক এখানে অনুভব করতে পারবেন, চলে যেতে পারবেন তাদের জীবনে।

 

জীবনস্মৃতিতে মানুষ
দেশ ও বিজ্ঞান
(১ম খন্ড)প্রকাশক: মাওলা ব্রাদার্স
ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য: ৬০০ টাকা
২০১৬

 

এই লিংকে গিয়ে পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

বইটি সম্পর্কে জাতীয় অধ্যাপক ৫. আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজউদ্দীন:

এটি একটি অসাধারণ সাহিত্য  কর্ম। আত্মজীবনী হলেও গ্রন্থটিতে উঠে এসেছে সময়ের প্রকৃত প্রতিবিম্ব। তাতে ধরা পড়েছে বিচিত্র মানুষ, ক্রমে পরিবর্তনশীল সমাজ ও প্রকৃতি। মূলত একই সঙ্গে শহরে ও গ্রামীণ, সনাতন ও আধুনিক পরিবেশে বাস করে বিস্ময়ভরা চোখে একটি শিশুর বেড়ে উঠার কাহিনী ফুটে উঠেছে  এই বইটিতে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিদ্যা বিভাগের অবসর প্রাপ্ত অধ্যাপক  শফিক সরদার চৌধুরী বইটি একটি  ইতিহাস গ্রন্থ, শুরুতে চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক ইতিহাস। এই ইতিহাস শুধু  যে রাজনীতির  ইতিহাস তাও নয়। রাজনৈতিক ঘটনাগুলো যেম তাঁকে নাড়িয়ে দিয়ে গেছে তেমনি সোভিয়েত রাশিয়া যখন মানুষের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিককে মহাশুন্যে উৎক্ষেপন করলো তার উম্মাদনাও তাকে প্রবলভাবে মাতিয়ে তোলে।

‘দৈনিক যুগান্তরে’ পুস্তুক সমালোচনায় শহীদুল হক:

বইটি পড়ার সময় কখনো আমার মনে হয়নি যে একটি আত্মজীবনী পড়ছি। বরং মনে হয়েয়ে একটি অনবদ্য উপন্যাস আমাকে আকর্ষণ করে সামনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ..তবে এটি কোন ধরণের উপন্যাস সে সম্পর্কে এক এক সময় এক এক রকম মনে হয়েছে। কখনো মনে হয়েছে আমি একটি সামাজিক উপন্যাস পড়ছি- এ যেন রীতিমত সমাজ বিবর্তনের একটি দর্পণ। আবার কখনো মনে হয়েছে এ আত্মজীবনী আসলে একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে বেশ কয়েক বছর আগে শেষ হলেও তার  রেশ শিশু ইব্রাহীমের কাছে ধরা পড়েছে..। কাল্পনিক বিমান আক্রমণে হর্তে আশ্রয় নেয়ার জন্য শিশুদের  ‘খেলায় গড্ডামে ঢুকো’ চিৎকারেও যেন এই রেশ জীবন্ত হয়। সেদিনের বৃটিশবিরোধী গান এখনো সুরে ও কথায় লেখকের কাছে জীবন্ত,  যেমন জীবন্ত ‘গান্ধী চিনির’ (গুড়), বদলে ‘জিন্নাহ চিনি’

(সাদা চিনি)  খেতে  শিশু ইব্রাহীমের বায়না।.. বইটি পড়তে দিয়ে যেন এক এক সময় আটকে গেছি এক একটি ছোট গল্পের মধ্যে। যেমন আনন্দ বেদনায় ভরা সুসংবদ্ধ একটি পরিবারের নানা ছবি যখন লেখক এঁকেছেন তখন তার কোন কোন ঘটনাকে ঘিরে এমটি মনে হয়েছে। বড়দের জন্য করা বিজ্ঞান প্রদর্শনীতে বিজ্ঞানের প্রেমে পড়ে প্রাইমারী স্কুলের বালক। আর কখনো শেষ না হওয়া এই প্রেম কাহিনীটি আমাদের সঙ্গে খুবই  অন্তরঙ্গভাবে শেয়ার করে গিয়ে লেখক এক দারুণ  কাজ করেছেন- উপন্যাসের মত কাহিনীতে চমৎকারভাবে বিজ্ঞানের স্বাদ এনে দিয়েছেন। .. তিনি নিশ্চিত ভেবেছেন  যে তাঁর কাছে দারুণ মজার বিজ্ঞানের কাজ ও ভাবনাগুলো আমাদের জন্যও মজার হবে, তিনি ভুল ভাবেনটি। আসলে নানা স্বাদের হাজারো ঘটনার অনবদ্য বর্ণনাই এই আত্মজীবনীকে উপন্যাসের মত আকর্ষণীয় করে তুলেছে। সেই সঙ্গে এটি দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক বিবর্তনের একটি মূল্যবান আখ্যান হিসেবেও আদর আজব বলে বিশ্বাস করি।


বইটির
পরিচিতি 

  কৈশোর-তারণ্যের অভিপ্রত্যয় দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ পরবর্তী কাল থেকে আইয়ুব খান পর্যন্ত রাজনীতির একটি আলেখ্য, শিশুমনের সূক্ষ্ম সব অনুভূতি, বালকের বিদেশে ভ্রমণ কাহিনী, জমজমাট পারিবারিক ছল্লোপ, সবকিছুর মধ্যে এই বালকের সব থেকে বড় নেশা-বিজ্ঞান।  

অন্তরঙ্গ ঘরোয়া পরিবেশে বেড়ে উঠা শিশু  সেদিনের সমাজ, রাজনীতি, এবং বিশেষ বিশেষ ব্যক্তি ও ঘটনাকে যেভাবে দেখেছে, সেভাবে বহুকাল পরেও মনে রেখেছে, তা নিয়ে এই বই।

সব সময় বড়দের কাজে জড়িত থাকা, তাদের কথা পোগ্রামে বলার অভ্যাস তাকে রাজনৈতিক তর্ক, ফিল্মি গানের আসর, পারিবারিক ভাবে নাটক মঞ্চস্থ করা  থেকে গঠনতন্ত্র বানিয়ে তরুণ সংঘ গড়ে তোলার মত ঘটনার অভিজ্ঞতা দিয়েছে। সেই সঙ্গে অদ্ভুত সে সব চরিত্র তার মনে দাগ কেটেছে তাদের সূক্ষ্ম চিত্রায়ন। তাঁদের মধ্যে কেউ শিক্ষক,  কেউ সাধারণ, কেউ কেউ রীতিমত অসাধারণ। দেশ ও মানুষের এ সব গল্পের সঙ্গে সঙ্গে বিস্তৃত হয়েছে লেখকের নিজের আচরণটি গল্প- যেটি বিজ্ঞানে তাঁর অপরিসীম আনন্দের গল্প। মার্কিন তথ্যকেন্দ্রের লাইব্রেরিতে বিজ্ঞানের রঙচঙে বই, নিজের বাসার ল্যাবরেটরিতে না যন্ত্র তৈরি, কলেজে যাওয়া মাত্র বিজ্ঞানের পত্রিকা   বের করা- সব কিছু নিয়ে দুর্দান্ত ভাল লাগার গল্প। অন্যদিকে অল্প বয়স   থেকেই রাজনৈতিকত ঘটনাগুলোকে খুব মনোযোগ দিয়ে যথেষ্ট কাছে থেকেই দেখেছে শৈশবে ও কৈশোর জুড়ে। সেই দেখা যেদিনের চট্টগ্রামের শহুরে ও গ্রামীণ জীবনের অত্যন্ত খুঁটিনাটি  পর্যবেক্ষণের পটভূমিতে। সে দিনের প্রত্যেকটি গানের সুর ও কথা  এমন ভাবে মনে  বেঁধেছে যে এখনো লেখক গাইতে পারেন ভিখিরির মুখে শোনা, কলের গানে শোনা, রাজনৈতিক সভায় শোনা, অনুষ্ঠানে অথবা বন্ধুদের গলায় চাট গেঁয়ে, বাংলা, উর্দু সব ভাষার গান, সেগুলোতে যেন এক ধারাবাহিক গল্প । সামনে  থেকে  দেখা ও শোনা চুয়াত্তরের যুবকন্ঠের নির্বাচন, হক-ভাষানীর বক্তৃতা, এর কন্ঠে কয়েক বছর তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে  ছোট হল ঘরে প্রধানমন্ত্রী সোহরোয়ার্দীর ছাত্রদের মাঝে দেয়া বক্তৃতা বড় ভাইয়ের সঙ্গে শোনা, আরো পরে নিজে কলেজের নির্বাচন করা। চট্টগ্রামের ছেলের হঠাৎ করে *** সুবাদে দূর প্রাচ্য*****, জাগতী ছেলেদের সঙ্গে ঘনিতর বন্ধুত। এক রকম বিশ্বকেই খুবই কাছে তকে দেখা-বালকের   চোখে এখানে মনে হতে পারে ছানা ছড়া ঘটনা, আসলে কিন্তু বইয়ে একটি উপন্যাসের মতই রসঘন ভাবে তরতর কর এগিয়েছে সব কিছুর

 

জীবনস্মৃতিতে মানুষ
দেশ ও বিজ্ঞান
(২য় খন্ড)

প্রকাশক: মাওলা ব্রাদার্স
ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য: ৬০০ টাকা
২০১৬

এই লিংকে গিয়ে পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

 

বইটির পরিচিতি 

  ড. মুহাম্মদ ইব্রাহীমের আত্মজীবনীর এই দ্বিতীয় খন্ডটির শুরু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইপূর্ব বিরোধী উত্তাল ছাত্র আন্দোলনের সময়। এর মধ্যে অপূর্ব এক ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয়- সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে আর কার্জন হলে-ঝলোমলো এক শিক্ষা ব্যবস্থার। ছাত্র রাজনীতি- হলে ভিপিগিরি; এরই পর প্রবাসে মুক্ত যুদ্ধ, শিক্ষক জীবন ও নতুন দেশে বিজ্ঞানকে মানুষের কাছে  নেবার চেষ্টার কাহিনী তার সমন্ত খুঁটিনাটি নিয়ে।  

আত্মজীবনীটির প্রথম খন্ডের মত এটিও সেই বিজ্ঞান বিভাগের মত মানুষ দেশ ও বিজ্ঞানের কাহিনী। কিন্তু এখানে সদ্য তরুণ লেখক স্বাদ পেতে শুরু করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপূর্ব ঐতিহ্যের- হলে ও পদার্থবিদ্যা বিভাগের। কিন্তু সময়টি উত্তাল, রাজনীতির পাট পরিবর্তনের প্রতিষ্ঠানটি শুরু হয়ে গেছে। নিজেও বাড়ির পেছন ছাত্র ইউনিয়নের ছাত্র রাজনীতিতে, হলের ভিপি হিসেবে আরো —-ভাবে দেখেছেন সব কিছু। তাঁর কিন্তু আগাগোড়া দুটি অন্তরঙ্গ জগত- মানুষ ও দেশ এবং বিজ্ঞান এটি  কৈশোর থেকে ধারাবাহিকভাবেই এসেছে। বইয়ের বাক পুরো অংশটির কাহিনী সেই ধারাতেই এগিয়েছে। এই দুই অন্তরঙ্গ জগতের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনের চেষ্টায়। প্রবাসে এ নিয়ে উপলব্ধি আরো বিবৃত হয়েছে-বিশ্ব সৃষ্টিতে  যেতে পেরেছে, কিন্তু আবার কেন্দ্রীভূত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধে,পরিকল্পনা, এই নতুন  দেশে কী করা যায়, বিশেষ করে বিজ্ঞানকে কীভাবে সবার শিক্ষার মধ্যে নেয়া যায় সেই লক্ষ্যে চেষ্টাগুলো  নেহাতই অন্তরের প্রেরণার- কিন্তু তারও প্রত্যেকটিতে অত্যন্ত খুঁটিনাটি কাহিনীর অন্ত নেই। কাজেই বরাবরের মতই পাঠক সেগুলোকে অনুসরণ করতে পারবেন উপন্যাস পড়ার আনন্দ ও সেই কাহিনীর ভুশী নবদেরকে কাছে থেকে দেখে। আর বরাবরের মতই পশ্চাতফুটে থেকে যাচ্ছে দর্শকের  চোখে দেশের সমাজ ও রাজনীতির অভাবনীয় সব উথাল পাতাল।

 

সত্যেন্দ্রনাথ বসু:


প্রকাশক: বাতিঘর
ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য: ২৫০ টাকা
২০১৫

এই লিংকে গিয়ে পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

 

বইটির পরিচিতি 

  বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু আমাদের গর্ব। তাঁর নাম  দেয়া রোমন কণিকার  তাঁর প্রতি  মৌলিক তন্তু বোস-আইনস্টাইন থিওরি এখনো বিজ্ঞান চর্চার নতুন নতুন আবিস্কার ঘটাচ্ছে তাঁর বিখ্যাত আবিস্কারটি সহ তাঁর জীবন ও কাজের সংক্রান্ত পরিচয় এখানে  রয়েছে বিশেষ  করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর জীবনের।  

এ হাতে লেখক বলেছেন ‘ সব সময় ভাবতেই বোমান্ডিত হয়েছে যে আমাদের দেশে নয় শুধু, আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের, আমার বিভাগের একজন শিক্ষকের নাম সরা দুনিয়ার স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা, পদার্থবিদ্যার ছাত্ররা — ধরে পড়েছেন। যখন পড়ছে তখন হয়তো জানছেনা ‘বোসন কণিকা’ খ্যাত এই —  লোকটি   কোথাকার। তবে আমরা তো জানি, এই আনন্দ রাখি কোথায়। এই বইটি তাঁর  ছোটবেলা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ অধ্যাপক হিসেবে বিশ্ববিজ্ঞানে  নিজের নাম এঁকে দেয়া, এবং তারপর নানা  ক্ষেত্রে না অবদান রাখা পর্যন্ত সব কিছু গল্পের মত করে বলার- এমনটি তাঁর  সেই বিখ্যাত আবিস্কার বসু সংখ্যায়নও। এ গল্পের অনেকখানি লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষকদের কাছে শুনেছেন- যারা নিজেরা বসুর ছাত্র ছিলেন । বসুর জীবনের শেষে দিকে লেখকের সঙ্গে ও তাঁর  —হয়েছে   লেখক-সম্পাদিত বিজ্ঞান সাময়িকীর প্রসঙ্গে।  এ – শেষে চিঠিটি এখানে উদ্ধৃত হয়েছে; নানাদিক থেকে এতই অনবদ্য যে চিঠিটি ঢাকা যাদুঘধরে সংরক্ষিত আছে।

 

প্রাকৃতিক
দৃশ্যপটের
বিজ্ঞান


প্রকাশক: সুবর্ণ

ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য: ২৫০ টাকা
২০১৫

 এই লিংকে গিয়ে পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

 

বইটির পরিচিতি 

  চোখের সামনে সুন্দর দৃশ্য দেখে ভাবতেও পারবনা যে এর ভেতরে খোপে খোপে কত জীবন-নাট্যের অভিনয় চলছে। ঢুকলে দেখবো এই নাটকও দারুণ উপভোগ্য দৃশ্যটিকে  যেভাবে আছে সেভাবে বজায় রাখতে হলে এই নাটককে সিড়ির অবস্থায় রাখা প্রয়োজন।  

প্রাকৃতিক কোন দৃশ্য পছন্দ হলে আমরা বলি ছবির মত সুন্দর দৃশ্য। কিন্তু কোন দৃশ্যপটই ছবির মত নির্জীব নয়- বরং খুবই সজীব সচল, নায়ক জীবজগতের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজে রত। এই সজীবতা ও কাজের মূল নায়ক দৃশ্যপটির মধ্যে থাকা উদ্ভিদ ও প্রাণীরা। তাদের জীবলকালটি নিয়েই বই, যার পেছনে রয়েছে বিশেষ এক বিজ্ঞান। দৃশ্যপটটি যতক্ষণ বাইরে থেকে দেখছি ততক্ষণ কবির মত  বা নির্জীব চোখে উপভোগ করতে পারি। কিন্তু  ভেতর  থেকে উপভোগ করার জন্য সাহায্য করে এই বিজ্ঞান। এই বই হাত ধরে আপনাকে সেখানে নিয়ে যাবে,  দেখবেন যেন এক বহু মছলা সৌন্দর্যম য় ভবন- যার খোপে খোপে রয়ে্ছে জীবের বৈচিত্র। আবার ওপার থেতক ধীরে ধীরে তার ওপর নেমে আসলে দেখবেন যেন এক প্রাকৃতিক নক্সীকাঁথা বিছানো। সেই কাঁথা অনেকগুলো আলাদা টুকরায় গড়া – যেন  নানা রঙের তালির টুকরা। নক্সী পথ দিয়ে এগুলো পরস্পর সংযুক্ত। আসলে এক এক টুকরা হয়তো একটি বৃক্ষ বাগান অথবা ফসলের ক্ষেত, অথবা মরুময় জায়গা; আর পথগুলো সাধারণত ঝোপঝাড় অথবা বৃক্ষ সারি। যতক্ষণ সব কিছু সুন্দর কাজ করছে- পথ ধরে প্রাণীরা টুকরা  থেকে টুকরায় যাচ্ছে, পানির   স্রোত ইত্যাদি স্বাভাবিক প্রবাহগুলো চালু থাকছে।, সেই ভবনের সব খোপ জীবময়, ততক্ষণ নাটক জীবন্ত থাকছে- আমাদের জন্য দৃশ্যপট জল্ জল্ করছে। এর ব্যত্যয় হলেই আসে———–।

 

চিরায়ত ও বৈপ্লবিক
বিজ্ঞানপ্রকাশক: সুবর্ণ

ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য: ১৭৫ টাকা
২০১৪

 এই লিংকে গিয়ে পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

 

বইটির পরিচিতি 

  আমাদের বহু পরিচিত অন্তরঙ্গ যে বিজ্ঞান মহাবিশ্বের সব কিছুকে যন্ত্রের মত প্রতি মুহূর্তের জন্য ভবিষ্যৎবাণী করতে পারে সেটি চিরায়ত পদার্থবিদ্যা। কিন্তু একে আমূল বদলে দিয়েছে গত শতাব্দীর বৈপ্লবিক কিন্তু তত্ত্ব। সেগুলো আমাদের  বোধশক্তিকে চমকে দেয়, কিন্ত এগুলোই সত্য  

গত প্রায় তিনশ’ বছর ধরে নির্বাচনীয় নিশান বিশ্বকে একটি ঘড়ির মত নানা যন্ত্রে পরিণত করছে, যাতে অতীত বা ভাগ্যকে সব কিছুর অবস্থান, গতি কী তা অংক করে বলে দেয়া যায় আজকের অবস্থা থেকে। সেই যুক্তিকে এটি তা করে তা আমাদের দৈনন্দিন বোধ বিবেচনার সঙ্গে সুন্দর মিলে যায়। এটি ধ্রুপদী বিজ্ঞান, সেই অর্থে ক্ল্যাসিক্যাল সঙ্গীত বা শিল্পকলা ধ্রুপদী, অর্থাৎ আমাদের অনুভূতিতে তা চিরায়ত। কিন্তু বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে পদার্থবিদ্যায় কিছু নতুন বৈপ্লবিক তত্ত্ব বনের মত এসে একে নাকচ করে দিয়েছে। অবশ্য আমাদের  বোধের সমান থাকা ধরাছোঁয়া ***গুলোর ক্ষেত্রে যেমন মার্বেল, বল, গাড়ি, রকেট ইত্যাদির চলাচলে  চিরায়ত পদার্থবিদ্যা এখনো কার্যকর। তবে খুব দ্রুতগ্রামী, খুবই বিশাল বা খুবই ক্ষুদ্র বিষয়ের বিবেচনায় এই বৈপ্লবিক তত্ত্বগুলোই প্রয়োজন-আপেক্ষিকতার তত্ত্বকে খুবই সহজভাবে তুলে ধরেছে। *** তখন সব কিছু ঘাট যা আমাদের বোধশক্তির কেমন ভাবে ভৌতিক, কেমনভাবে   যৌক্তিক তা এই বই গল্পের মত করে তুলে ধরেছে।

 

পরমাণু ও কণিকাচিত্র


প্রকাশক: সুবর্ণ

ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য: ১৭৫ টাকা
২০১৪

 এই লিংকে গিয়ে পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

 

বইটির পরিচিতি 

  সব কিছুর মৌলিকতম কণা হিসেবেই পরমাণুর কল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু আধুনিক কালে এসে দেখা গেলো এর  ভেতরেও রয়েছে আরো মৌলিক কণিকার আর এক জগত । কীভাবে জানা গেল সেই বিস্তারিত চিত্র?  

আড়াই হাজার বছর ধরে পরমাণু কে সব কিছুর ক্ষুদ্রতম কণা মনে করে আসবে পর তখন বুঝতে পেরেছি এটি মৌলিক নয়, মৌলিক কণিকা তারও ভেতরে এবং বাইরে। পরমাণুর ভেতরের এই চিত্র এবং ওই মৌলিকতার কণিকাগুলোর কাহিনী নিয়েই্ এই বই।  যে পরমাণুকেই  সে কখনো  দেখিনি  তার ভেতরে ওই বহুগুণে ক্ষুদ্রতর ব্যাপারগুলো আমরা কীভাবে জানতাম সেটি অনেকটা গোয়েন্দা কাহিনীর মতই  চমকপ্রদক।  গোয়েন্দা যেভাবে যুক্তি সূত্র গোলমাল হয়ে গেলে অপরাধের এক সম্ভাব্য চিত্র থেকে আরেক চিত্রে চলে যান তেমনি ভাবে নানা বিখ্যাত এক্সপেরিমেন্টের  ফলে বিজ্ঞানীদের পরমাণুর চিত্র বারবার বদলাতে হয়েছে যাতে-একে সত্যের আরো কাছাকাছি আনা যায়। এই চমকপ্রদ কাহিনী নিয়েই এই বই। পরমাণুর  যে চিত্র আমরা সব জায়গায় আঁকা দেখি, সর্বশেষ এটিও কিন্তু বদলে গেছে কোয়ান্টাম তত্ত্বের কারণে। ভুলে গেলে চলবেনা পরমাণুর একটি অংশ বিশাল এক শক্তি উসসের আধার নিউক্লিয়ার এনার্জি। সেটিকেও বোঝা প্রয়োজন। আর পরমাণুকে  যে শেষ পর্যন্ত দেখাও যাচ্ছে সেটিও বা কেমন ভাবে? সহজ উত্তর আসে এই বইটি

 

বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন
ও গবেষণাগুলো কী
 

প্রকাশক: সুবর্ণ
ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য: ৩০০ টাকা
২০১১

 এই লিংকে গিয়ে পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

 

বইটির পরিচিতি 

  বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন এখন আমাদের আস্থত্বকে  হুমাকার সামনে ফেলছেন। কিন্তু কীভাবে ধরা পড়লো যে এই সর্বনাশা ঘটনা ঘটছে- আমাদের নিজেদেরই কাজের ফলে। আর কীভাবে জানা যাচ্ছে আগামী বছরগুলোতে এটি কোথায়  গড়াবে? এর জন্য পেছনের বিজ্ঞানটিকে বোঝা চাই।  

বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের খাঁড়াটি সামনে চলে আসাতে্ এ নিয়ে আন্দোলন, দোষারোপ, দর কষাকষি ইত্যাদির খবরের ভিড়ে এর বিজ্ঞানটুকু অনেক সময় হারিয়ে যায়। বিজ্ঞানীরা অনেক দিন ধরে বিষয়টি আঁচ করেছেন-গ্রীন হাউস  প্রতিক্রিয়া হিসেবে। কিন্তু জোড়ালো সব সাক্ষ্য প্রমাণ সহ সবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দেয়ার আগে পর্যন্ত কেউ গা করতে চাচ্ছিলোনা। এই সব বৈজ্ঞানিক সাক্ষ্যকে, ঘটনার ভেতরের ঘটনাকে সহজ করে তুলে ধরার জণ্য এই বই। এখন দেখা যাচ্ছে এই পরিবর্তন এগুচেছ পাগলা ঘোড়ার মত লাফিয়ে লাফিয়ে-একটু পরিবর্তন আরো পরিবর্তন ———– দিচ্ছে, সেটি আবার সেকে দিচ্ছে আরো বেশি। এই পাগলা  ঘোড়াকে যথাসময়ে থামানো না গেলে হয়তো একশ’ বছর পরেই পৃথিবী আর বাসযোগ্য খাকবে না। থামাবার যে উপায়গুলো কখা বলা হচ্ছে তার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কী? বিজ্ঞান এখানে কম্পিউটার মডেলের আকারে বলে দিচ্ছে আজ আমরা কী আচরণ করলে কাল কী ঘটবে, ৫০ বছর পর, ১০০ বছর? সেই বিজ্ঞানকে, মডেলকে আপনার ঘরা-ছোঁয়ায় আনছে এই বই।

 

উদঘাটিত ডিএনএ
উৎসারিত সম্ভবনা 

প্রকাশক: সুবর্ণ
ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য: ৩০০ টাকা
২০১১

 এই লিংকে গিয়ে পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

 

বইটির পরিচিতি 

  অপেক্ষাকৃত সম্প্রতি আমরা জেনেছি সব জীবের যাতবতীয় বৈশিষ্ট লেখা থাকে তার প্রতি কোষে  থাকা ডিএনএতে। আজ আমরা সেই ডিএনএ পড়তে পারি। জীবন রহস্যের অনেকখানি তাই উদঘাটিত। মানুষের ইই বিশাল সমতাকে একেবারে অ আ ক খ এর মত করে বুঝতে দিচ্ছে এই বই।  

প্রশ্নটি বহু হাজার বছর পুরানো- আমরা কেন বাবামা’র মত? উত্তরটি কিন্তু এসে্ছে মাত্র পঁচাত্তর বছর আগে, ডিএনএ নামক আলুর মাধ্যমেই বাবামা’র বৈশিষ্টগুলো সন্তানের কাছে যায়। এটিই বংশানুক্রমে সব জীবের বৈশিষ্ট বহন করে। ডিএনএ এর গঠন কী, কীভাবে আরো সাম্প্রতিক আবিষ্কার। বিজ্ঞানের শ্রেষ্ঠতম সাফল্যগুলোর অন্যতম এ প্রক্রিয়াগুলোকে একেবারে অক্ষর ত শব্দ গেঁথে গেঁথে কথা সৃষ্টির সারল্য  দিয়ে বুঝিয়ে দেবার চেষ্টা করেছে এই বই। জীবনে এই চাবিকাঠিকে বিজ্ঞানীরা কেমন করে ধাপে ধাপে হাতে পেয়েছেন সেটি এক শ্বাসরুদ্ধকর কাহিনী। শুধু তাই নয় এই ডিএনএ বার্তাকে পড়ার জন্য একে পরিবর্তনের জ্ন্য, এমনটি এক কৃত্রিম ভাবে   তৈরির জন্য বিষ্ময়কর  সব সক্ষমতা এখন মানু্ষের হাতে, থাকে আমরা জিন কারবারি বলে জানি। এটি জীববিদ্যা কৃষি ও চিকিৎসাবিদ্যার ক্ষেত্রে একটি দু:সাহসী অতিব যুগ পরিবর্তন দুবার স্কুলে দিয়ে্ছে এই কারিগরিই আবার দৈনন্দিন ব্যবহৃত অপরাধ নির্ণয়, পিতৃত্ব নির্ণয় অভিবাসন —- মত

 

আমরা কীভাবে
চিন্তা করি 

প্রকাশক: সুবর্ণ
ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য: ৪০০ টাকা
২০১১

 এই লিংকে গিয়ে পড়ে দেখুন
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন:

 

বইটির পরিচিতি 

  আমরা কীভাবে চিন্তা এই প্রশ্নের জবাব শুধু খুবই সম্প্রতি বিজ্ঞান কিছুটা দিতে পারছে। সে জবাব মস্তুকের স্নায়ুজানের বর্তনীতে স্মৃতি, স্বপ্ন, কল্পনা বুদ্ধি আকো সব কিছু নিয়ে। এই বই  দেখিয়েছে নিজের চিন্তার কাহিনী কেমন অনবদ্য হতে পারে।  

চিন্তার কথা বললে অনেক প্রশ্ন ভিড় করে আসে। চিন্তা জিনিসটি কী? এটি কি মাথার মধ্যেই ঘটে?। আমাদের পুরানো স্মৃতিগুলো  কোথায় থাকে, সেগুলো যখন আমাদের মনে পড়ে তখন আসলে কোখায় কী ঘটে। এমনি সব প্রশ্নের কোন অন্ত নেই। যা দেখি, যা শুনি  সে সবও প্রশ্ন কঠিন প্রশ্ন, বিশেষ যখন স্বয়ং কল্পনা, আবেগ ইত্যাদির কথাও আসে। আর সব প্রশ্নের কঠিনতম প্রশ্ন হলো চেতনা কী- আমি চেতন, এই ব্যাপারটি কেমন করে ঘটে? মসতিষ্কের কাজের খুঁটিনাটি মত বোঝা গেছে এবং আমাদের নিজেদের উদ্ভাবিত কম্পিউটারের এমন কাজের সঙ্গে এর তুলনা করা হয়েছে ততই মানুষ নিজের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা সেই চিন্তাকে বুঝতে সক্ষম হচ্ছে। এমআরআই এর মত আধুনিক স্ক্যানিং  প্রযুক্তি  ও কাজে দারুণ সাহায্য করছে।  চিন্তাকে নিয়ে চিন্তার অসম্ভব কাহিনীটি  লেখকের চমকপ্রদ কথকতায় দারুণ সহজ ও উপভোগ্য হয়ে উঠেছে।

 

আফ্রিকা থেকে
জ্ঞানী মানুষ

প্রকাশক: সুবর্ণ
ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য: ৪০০ টাকা
২০১১


বইটির পরিচিতি 

  হঠাৎ হঠাৎ পাওয়া গেছে অতি প্রাচীন মানুষের ফসিল- কখনো খুনি, বা চোয়ালের অংশ মাত্র, কখনো আয় পুরো ডহালের। ফসিল ও পাথরের হাতিয়ার এবং সব শেষে ডিএনএ’র ভিত্তিতে রচিত হতে পেরেছে মানব বিকাশের কাহিনী এমন ——-ভাবে বলা কাহিনী যাতে ওই পুরোতত্ত্বের সাক্ষ্য থেকেই- তাদের জীবনকে যেন আমরা দেখতে পাই।  

আমরা নিজেরা নিজেদের প্রজাতির নাম দিয়েছি বোঝা —- বা জ্ঞানী আমরা। এই জ্ঞানী আমাদের বয়স মাত্র দেড় বা দুই লাখ বছর। কিন্তু এর পেছনে রয়েছে মানুষের অন্তত প্রায় ৫০ বছরের আরো গভীরতর ইতিহাস।  এই সব  বিজ্ঞানীরা —- করে্ছেন পুরাতত্ত্বের অদ্ভুত এক সাম্য একটু হয়ে বা আংশিক  — বা ——। এমন সব খুঁটিনাটি তথ্য নিংড়ে নেয়া যায় যাতে বিস্ময়ের সীমা থাকে না। ফলে শুধু মানুষটি তার চেহারায় ও দেহের হর্ণ অবয়বেই আমাদের কাজ ধরা দেয়না , বরং স্পষ্ট হয়ে  ওঠে তার সক্ষমতা, জীবন যাত্রা, খাদ্যাভাস ও অভিবাসনের মত আরো অনেক কিছু। ওদের কেউ কেউ আমাদের কাছে এতই জীবন্ত হয়ে ওঠে যে আমরা তাকে লুসি  নারী —- বালক, — ইত্যাদি নাম দিয়ে তার জীবন কাহিনী অনুসরণের চেষ্টাও করতে পেরেছি। এই সামান্য বিজ্ঞান কৌশলের খুঁটিনাটিগুলো লেখক, তাঁর ঝরঝরে ভাষার মানুষের ইতিহাসকে

 

মহাবিশ্বের বয়স ও আমাদের
মহাজাগতিক শিকড়
প্রকাশক: সুবর্ণ
ডিসকাউন্ট-পূর্ব মূল্য: ৩০০ টাকা
২০১১

 


বইটির পরিচিতি 

  পুরো মহাবিশ্বকে একসঙ্গে নিয়ে কখনো চিন্তা করেছেন? এই বই আপনাকে সেই চিন্তায় নিয়ে যাবে একটি ক্ষুদ্র বিন্দু হিসেবে মহাবিশ্বের জন্ম, বিকাশ, বর্তমান ও ভবিষ্যতে। এর একটি নগণ্য শ্রদ্ধেয় বাসিন্দা হলেও আমরাই পারছি তাকে জানতে। হাজার হলেও এটি আমাদের মহাবিশ্ব।  

আন কল্পনাতীত ভাবে বড় মহাবিশ্ব- তার কিনারা থেকে অচেনা আমাদের কা্ছে পৌঁছাতেই পারেনা। এমনি বড় এটি, এবং ক্রমাগত আরো বড় ইচ্ছে।মজার ব্যাপার যে জিনিসের কে কে তাকিয়ে বিজ্ঞানী এ সব জানতে পেরেছেন তা হলো আমাদের চির পরিচিত বর্ালী  সাত—— দূরের তারাপুঞ্জগুলো থেকে আসা আলোর বর্ালী।বেনী আ স হ ক লা অর্াৎ বেগুনী থেকে লাল, পুরোটা লালের দিকে একটু ধরে যাওয়াকেই বিজ্ঞানী বুঝতে পেরেছিলেন যে দূরে সরে যাচ্ছে, মহাবিশ্ব ক্রমাগত বড় হয়ে যাচ্ছে।এমনি ভাবে নগণ্য পৃথিবীতে বসে আমরা কী দেখে মহাবিশ্ব  সম্পর্কে কী জানতে পারলাম  সেসবই- পুরো বইয়ের অপূর্ব। এভাবেই জেনেছি তার জন্ম আর তার পুরো ইতিহাস। এক সময় তাতে তারা গঠিত হয়েছে, নিজের শক্তিতে যা জ্বলে উঠেছে প্রায় সব পরমাণু । এক একটি তারার ভেতরে।   কোন কোন বুড়ো তারা ফেটে গিয়ে সব পরমাণু ছড়িয়ে পড়েছে, সেগুলো থেকে আবার নতুন তারা ও তার গ্রহ গঠিত হয়েছে।এমনি ভাবে পৃথিবীর ও জন্ম হয়েছে যেখানে সেই পরমাণুগুলো এসেছে, যা পরে মাস  থেকে খাবারের মাধ্যমে আমাদের শরীরেও এসেছে। আমাদের শিকড় তাই এই পুরো মহাবিশ্বে।এটি আমাদের মহাবিশ্ব। এও আমরা দেখবো যে আরো বিশ্ব বাকতে পারে যেগুলো আমাদের নয়। এই বইতে পাবো বন্ধ-বিশ্ব-তত্ত্বের কাহিনীও।

 

চারশত কোটি
বছরের
পৃথিবী ও প্রাণ
প্রকাশক: সুবর্ণ
ডিসকাউন্ট-পূর্ব মূল্য: ৪০০ টাকা
২০১১

 

 বইটির পরিচিতি 

  পৃথিবীর ইতিহাস ও প্রাণের ইতিহাস একই সঙ্গে মাখামাখি হয়ে আছে। এই সম্মানিত ইতিহাসটির মমের্ রয়ে্ছে আধুনিক বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের মাধ্যমে তবে-প্রত্যেকটি পরিবর্ন ও সাইন ফলকের ব্যাকরণ। এই বইয়ে এই পুরো ব্যাপারটি একটি প্রবহমান।গল্পের ধারায় চলেছে যার দুই নায়ক পৃথিবী ও প্রাণ।  

আধুনিক বিজ্ঞানের শুরুতে মনে করা হতো পৃথিবী মাত্র ৬ হাজার বছর পুরানো। কিন্তু এ্রখন আমরা জানি যেটি কত ভুল ছিল, কারণ তেজস্ক্রিয় পদার্র অবক্ষয়ের  —  থেকে নিখুঁত ভাবে মেপে দেখা গেছে পৃথিবীর বয় সাভ চারশত  কোটি  বছর। এই দীর্ সময় এর অনেক পরিবর্ন, অনেক ভাঙ্গা-গড়ার সুযোগ করে দিয়েছে। আজ আমরা জলবায়ু পরিবর্নের কথা বলছি। কিন্তু এর  থেকে আরো গুরুতর জলবায়ু পরিবর্ন পৃথিবীতে বহুবার হয়ে্ছে। অবশ্য সেগুলো ছিল প্রাকৃতি কারণে, বতমানের মত মানুষের কারণে নয়। সেই গ্রীণ হাউস প্রতিক্রিয়া এখন পৃথিবীকে আবাসযোগ্য করে তুলছে, সেটিই একদিন পৃথিবীর উত্তাপ ধরে রেখে প্রাণের জন্য উপযুক্ত করেছিলো। আট দশ কোটি বছর পর পর পৃথিবীময় এমন সব বড় বড় দুর্টনা অথবা জলবায়ু পরির্ন ঘটেছে যে তাতে প্রাণী জগতের অধিকাংশই বিলুপ্ত হয়ে গেছে বহু প্রজাতি, বহু —– একেবারেই শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু তার পর পরই এসেছে প্রাণের নতুন সমারোহ। যে প্রাণের  উদ্ভব হয়েছিলো ক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়া বা আরো সরণ কোন নমুনা থেকে বিবর্ন কী ভাবে তাতে বিচ্ছুরণের পালাবদল হয়েছে সেই আকর্ণীয় কাহিনী নিয়ে রুদ্ধশ্বাস পড়ার মত বই।

 

জীববৈচিত্র ও
আমাদের ভবিষ্যৎ

প্রকাশক: সুবর্ণ

ডিসকাউন্ট-পূর্ব মূল্য: ৩০০ টাকা

২০১১ 

 

 বইটির পরিচিতি 

  পৃথিবীতে আমাদের সঙ্গী জীবের — বিশাল। তার অধিকাংই আমাদের চোখে পড়ার মত নয়- কীটপতঙ্গ বা আরো ক্ষুদ্র জীব। অনেকগুলো অব্শ্য আমাদের অতি কাছেরও প্রিয়। সবই কিন্তু আমাদের অস্তিত্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্।অথচ আমাদেরই কাজ কমের ফলশ্রুতিতে প্রতিদিন  এদের বড় একটি অংশ চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।এই বইয়ে পুরো ব্যাপারটি এসেছে একটি – মহাকাব্যের রূপ নিয়ে যা অবধারিত ভাবে আমাদের ধ্বংশ করবে-যদি এখন কিছু না করি।  

আমাদের কালে তবে জীব বৈচিত্র বিলুপ্ত হবার গতি খুবই বেড়ে গেছে। পৃথিবীর ইতিহাসে গত ৫০ কোটি বছরে যাবতীয় জীবের পাঁচটি বড় বড় গণ  বিলুপ্তি ঘটেছে, প্রত্যেকবার প্রাকৃতিক কারণে। বিজ্ঞানীরা বলছেন এখন আমরা গণ বিলুপ্তির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু তার কারণ প্রাকৃতিক নয়, শুধু আমরা একটি জীব মানুষ  বাকি সব জীবকে ধ্বংসের মুকে ঠেলে দিচ্ছি। অনেককাল অনেক বড় বড় বৈজ্ঞানিক সংস্থা ও অনেক স্বেচ্চাসেবী মানু্ষের নিত্য কাজ হলো কোন্‌ জীবগুলো বিলুপ্তির দিকে চলে যাচ্ছে তা নির্য় করা এবং এদের ওপর নজর রাখা কেন—– আমাদের কোন কাজগুলো এই মহা বিপর্ায় ঘটাচ্ছে। সেগুলোকে আমরা উন্নয়নের কাজ বলি প্রধানত সেগুলোই- ভৃতি, প্রিন্ট নবায়ন সবই। দূষণের ফলেও হচ্ছে, প্রয়োজনের অপ্রয়োজনে অন্য জীবের আবাস ধ্বংস করা, তাদেরকে অতি ব্যবহার করার মাধ্যমেও হচ্ছে। এদিক থেকে আমাদের সব আচরণকে অনুসন্ধানী কাহিনীর মত অনুসরণ করে বইটি এমন একটি বিপর্য়ের ভবি আমাদের  চো্খের সামনে মেনে ধরেছে সে আমাদের গতিরো্ধে ও না হয়ে উপর থাকে না। নয় একে সময়মত থামাবার উপায় আধুনিক বিজ্ঞানটি সেভাবে দিচ্ছে পুরো দুনিয়ার মানুষের – আমার এটিও সময়ন।

 

নতুন আবাস
নতুন পড়শীর
খোঁজে
প্রকাশক:সুবর্ণ

ডিসকাউন্ট পূর্বমূল্য চারশত টাকা
 ২০১১

 

 বইটির পরিচিতি 

 

মানুষের ইতিহাসে মানুষ সবসময় ভিন দেশে গিয়ে বাসা বেঁধেছে এবার  ভিনদেশে যাবার পালা  প্রস্তুতি  বাঁধাছাঁদা চলছে বহুদিন ।জানা গ্রহ   উপগ্রহে   ঠাই ঠিক করা আছে।  অনেক দূরে আরো ভালো নতুন  ঠাই ঠাইয়েরও সন্ধান  পাওয়া যাচ্ছে, অন্য তারার রান্যে। এখানে যানবাহন  এখনো আমাদের হাতে নেই  কিন্তু চেষ্টা থেমে থাকেনি। এক মহা প্রস্তুতি  মহাপ্রস্তুতি সকল সকলকে  নিয়ে জমজমাট এক কাহিনী। 

 

মানুষ যে তার গ্রহের বাইরে গিয়ে বাসা বাঁধবে এটি তখন প্রায় অবধারিত। হয়তো যাবে অভিযাত্রার নেশায় অথবা হয়তো পৃথিবী ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে বলে। চাঁদে আমরা গিয়েছি, মঙ্গলে আমাদের রোবট প্রতিনিধিরা অনুসন্ধান চালাচ্ছে। এখানে আমাদের  বাতিঘর, বাতি ঘর বাড়ি ঘর কেমন হবে এসব মোটামুটি ঠিক করা। সৌরজগতের আরও বাইরে থেকে আমাদের অভিযান থেকে মনে হচ্ছে বৃহস্পতির উপগ্রহ এবং  শনির উপগ্রহ এ্যানতেচেলেডাসেও  আমাদের ঠাঁই হতে পারে। বেশিদিন  থাকি বা না  থাকি এখানে কলোনি বানিয়ে সম্পদ আচরণ  তো করতে পারি। তা করতে হলে পৃথিবীর সঙ্গে আসা-যাওয়ার আরো ভালো ব্যবস্থা লাগবে – এমনকি মোটা শক্ত ক্যাবল সংযোগ করে তাতে ঝোলালে লিফটে কম খরচে অতি দ্রুত আসা যাওয়ার চিন্তা ও করা হচ্ছে। এছাড়া অনেক দূরে অন্য তারা রাজ্যে আরো ভালো আবার প্রায়ই দু-একটি করে আবিষ্কার হচ্ছে- পৃথিবীর সঙ্গে  বেশ মিল আছে ওসব পাড়ার এমনই গ্রহ। সমস্যা হল ওখানে যেতে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের যানবাহন লাগবে, অনেক দ্রুত বেগের  বেগে নিয়ে আইডিয়া আছে,  কাজও চলছে। সবাই  সবাই রোমান্স করবে কেমন হবে এমন অন্যায় এমন  পড়শীদের নিয়ে জীবন। এই জীবনের কিন্তু এই বিজ্ঞান  গল্প কল্পকাহিনী, একেবারে নিষাদ বিজ্ঞান।


পরপর দেয়া হবে:

  • বিশ্ব ভুবনে আমি কোথায় – ২০০৬
  • স্বয়ম্বরার রঙিন পছন্দ – ২০০৬
  • ঐ আকাশ না ডাকলে – ২০০৩
  • প্রযুক্তি সনাতন থেকে আধুনিক ২০০২
  • বিজ্ঞান: রান্নাঘরে; জাদুঘরে – ২০০২
  • বৃষ্টি ও বজ্র – ২০০২ / বাংলা একাডেমি
  • আকাশ-আলোক তনুমন প্রাণ – ২০০২
  • পরিবেশ বন নগরজীবন – ২০০১/ সময় প্রকাশনী
  • ছোট প্রাণ ছোট কথা – ২০০১ 
  • জল পড়ে পাতা নড়ে – ২০০১ / শোভা প্রকাশ
  • মাসিক বিজ্ঞান সাময়িকীর ৪০ বছর/২০০০
  • ডাবল হেলিখ – ১৯৯৬/ বাংলা একাডেমি
  • সত্যেন্দ্রনাথ বসু – ১৯৯৫/ শিশু একাডেমী
  • শিক্ষা বিজ্ঞান দর্শন – ১৯৮৮/ শিশু একাডেমী/ শুক্রবার
  • খুদে বিজ্ঞানীর প্রজেক্ট (২) ১৯৮৮
  • খুদে বিজ্ঞানীর প্রজেক্ট (১) ১৯৮৭
  • বিজ্ঞান বর্ণালী – ১৯৮৭

 

রাতভর  সূর্য

প্রকাশক: সময় প্রকাশন
ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য ৬০ টাকা
 ১৯৮৬


বইটির
পরিচিতি
 

 

মানুষের ইতিহাসে মানুষ সবসময় ভিন দেশে গিয়ে বাসা বেঁধেছে এবার  ভিনদেশে যাবার পালা  প্রস্তুতি  বাঁধাছাঁদা চলছে বহুদিন ।জানা গ্রহ   উপগ্রহে   ঠাই ঠিক করা আছে।  অনেক দূরে আরো ভালো নতুন  ঠাই ঠাইয়েরও সন্ধান  পাওয়া যাচ্ছে, অন্য তারার রান্যে। এখানে যানবাহন  এখনো আমাদের হাতে নেই  কিন্তু চেষ্টা থেমে থাকেনি। এক মহা প্রস্তুতি  মহাপ্রস্তুতি সকল সকলকে  নিয়ে জমজমাট এক কাহিনী। 

 

উত্তর মেরুর কাছাকাছি সুইডেনের  কিরুণা  নিশীথ সূর্যের দেশ- তাই সূর্য। স্লোভেনিয়ার পস্তেহিনা গুহা  পৃথিবীর বৃহত্তম গুহা অদ্ভুত মাটির গভীরে এই প্রকৃতি-রাজ্য চির অন্ধকারে হতে গতে এখানকার নদীতে মাছ গুলো অন্ধ। সুইজারল্যান্ডে ইয়ং  ফ্লাট ইয়েখে আল্পস পর্বতের একটি উচ্চ শৃঙ্গ চির বরফ রেখার অনেক উপরে অস্ট্রেলিয়ার যার সঙ্গে দুনিয়ার আর কোন মহাদেশের প্রাণীর মিল নাই। প্রকৃতির; ইতিহাসের রোমান্স – সাড়ে তিন হাজার বছর আগের মিশরের ফেরাউন তুত-আন-খামুনের খামুনের  অতি ——-আসবাব মুকুট এখনো ইত্যাদি নতুনের  মক্কা আমাদের যে কোন  সম্রাটেরও  যেকোন স্টার থাকলো হতে পারে, ইংল্যান্ডের   স্থোন হের জের আরো অনেক প্রাচীন সে সময়ের একটি কিনের একটি মুহূর্তে যেন স্থির হয়ে আছে — চাপা তালে গিয়ে ভ্রমণকারী সেই দিনটাতে গিয়ে যার চত্বর, ভবন সড়ক রুটির দোকান স্টেডিয়াম এমনকি আপ খাওয়া নাস্তাসহ কেমনি আশা শুধু মানুষগুলো নেই এই রোমান্স দেড় হাজার বছর আগে ইয়াম্বুনের আরা  সোফিয়া গির্নাএকটি রাক্ষুসের গিত তত বল্ খোলা জায়গা আগের কোনো সুযোগ নেই।  আর কিছু রোমান্স বিমানের নিজেরই কাহিনী নিয়ে ইতালির— নিজের হাতে তৈরি বৈজ্ঞানিক সব — মাছ ঘর, ধর হল্যান্ডের লাইভ লাইভ এল এ দুনিয়া সব সর্বনিম্ন উত্তাল সৃষ্টির — যুক্তরাজ্যের –, না বাসায় সামান্য ভ্রমণের প্রথম যুগের রকেট প্রথম –নাটের মহাশূন্যযান। দুরন্ত সব  জায়গা সবই সরল, অতি মজার ভ্রমণ কাহিনীর আমেজে।

 

পরমাণু দিয়ে গড়া


প্রকাশক:সুবর্ণ

ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য ২০০ টাকা
২০১৪

বইটির পরিচিতি 

  পরমাণুতে পরমাণু যোগ হয়ে অণু সৃস্টি হয়, আর অণু গড়েছে আমাদের চারিধারের বস্তু জগতকে ও আমাদেরকেও। রসায়ণবিদ নিজেও কৃত্রিম বস্তু গড়েছেন, এক জাদুকরের মত। রসায়নের জাদুর পুরানো ও সর্াধিক সব মেশিনকে খোলাসা করছে এই বই।  

রসায়নের বন্দনে নানা পরমাণু একত্র না হলে আমাদের দুনিয়াটি বা রকম পাড়ায় ও অসম্ভব হতো তা ভাবাই যায়না। আমরাও তে,  বেঁকে আছি এরকম অসংখ্য রাসায়নিক ভাঙ্গাগড়ার কারণে। তাকে যদি বুঝতে না পারি তাহলে না জগতকে বুঝাবো, না জীবনকে এই সহজ ভাষায় তারই চেষ্টা করছে। সেই শুরুতে সব কিছুর মধ্যে ভ্যানটন যেভাবে পরমাণুর কল্পনা করেছিলেন হেকেনা রসায়নের সরল অনুপোতের নিয়ম কিংবা হোকনা প্রাণ রসায়নের অতি বড় ও জটিল অণুর রহস্যভেদে এন এম আর এর মত সর্াধুনিক যন্ত্রের কৌশল, রসায়নকে প্রাঞ্চল করাই এর উদ্দেশ্য। রসায়নবিদ যখন  প্রকৃতির অনুকরণে কিংবা একেবারেই নিজস্ব অভিনব চিন্তায় কৃত্রিম ভাবে অণু গড়ে বস্তু সৃষ্টি করেন তখন অসংখ্য জিনিসের দিকে লক্ষ্য রাখতে হয়। যেমন অণুর ত্রিমাতিক গঠনের কথা বললে আমাদের ব হাত যেমন ডান হাতের ওপর হুবহু সুযোগ করা যায় না, তেমনি বাঁ হাতি অণু আর ডান হাতি অণুর গোলমালেও বিরাট বিপর্ায় ঘটে যেতে পারে। এর ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া অনেকদূর গড়ায়- যেমন ওষুধ তৈরিতে। রসায়নের সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন দিবাস্ত; ন্যানো রসায়নেন যেমন অল্প কিছু পরমাণু দিয়ে অনেক বড় কাজের সূচনা হচ্ছে- কৃত্রিম উপগ্রহ ও পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত আসা যাওয়ার লিফট যে রকম রজ্জুতে ঝুলতে হবে তাকে অতি শক্ত অতি হালকা করে তৈরি করা; অথবা কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি করা। এই অবাক করা জগতে পাঠককে স্বাগতম!

বিশ্বভূবনে
আমি কোথায়

একবিংশ শতাব্দীর
কিছু প্রযুক্তি চিত্র


প্রকাশক: মাওলা ব্রাদার্
ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য ১০০ টাকা
২০০৬


বইটির
পরিচিতি
 

  একবিংশ শতাব্দীর যে সব প্রযুক্তি দারুণ অভিনবত্ব সৃষ্টি করছে তার মধ্যে কয়েকটি আমাদের জীবন, এমন কি আমাদের অস্তিত্বের স্বরূপকেইচিরতরে বদলে দেবার উপক্রম করছে। তাই শুধু তার দৈনন্দিন কারেজ দিকটি নয় প্রযুক্তিগুলোর বাতীরতর তাৎপর্র দিকটিকেও খোলাসা করার চেষ্টা করেছে এই বই।  

বিশ্বভূবনে আমি কোথায়’ এ প্রশ্নটির উত্তর একদিক থেকে এই বইয়ে আলোচিত সব প্রযুক্তি থেকে পাওয়া বোলেও, এখানে এটি পৃথিবীর ঠিক কোন জায়গাটিতে আমি এ মূহূর্ত আছি সেটি নিণয়ে ব্যবহৃত জিপিএস ব্যবস্থার অধ্যায়টির শিরোনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।আমরা     নিজেরা,ত বিমানের পাইলট; বিজ্ঞানের গবেষক সবাই যার যার গন্তব্যে পৌঁছতে এই জিপিএস প্রযুক্তি তখন সহজেই অহরহ ব্যবহার করছিভ বটে কিন্তু এর পেছনে আছে বিরাট আয়োজন-মহাকাশ বেশ কিন্তু উপগ্রহ নিত্য কাজ করে এটি সম্ভব করছে এই বইয়ের প্রত্যেক প্রযুক্তির জন্যই এভাবে তার বড় ও ব্যাপক ছবিতে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে- প্রায় আঠারোটি প্রযুক্তির। তার মধ্যে  কয়েকটি নির্র করছে কৃত্রিম বুদ্ধিরমত্তার  আর, সেখানে যন্ত্র নিজের প্রোগ্রাম নিজে তৈরি করে,শিখে শিখে অসম্ভব বুদ্ধির অধিকারী হয়। হয়তো আমাদের জীবন জীবিকার চিরকালের শ্রম, অভাব আসন এসবের চিরসমাধান এটি করবে। তেমনি সংশেষত অভিনব ভিতত’র মাধ্যমে কৃত্রিম পোকা হয়তো আর এক দু:সাহসী যুগের সূচনা করবে। এমনকি ইন্টারনেট ভিত্তিক ভারচুয়াল বিশ্ববিদ্যালয়ও হয়তো- তাই  করবে। চিরাচরিত বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে একটি স্থান থেকে তালের ক্রতা বলে, এমনই অভিনব প্রযুক্তিগুলোর থেকে এমনি সব উপলব্ধি এ বই দিচ্ছে।

 

স্বয়ম্বরার নতুন পছন্দ

প্রকাশক:মাওলা ব্রাদার্
ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য ১৫০ টাকা
২০০৬

 

এই লিংকে গিয়ে বইটি পড়ে দেখুন: ———————
এই ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন: https://www.rokomari.com/book

 

বইটির পরিচিতি

 

প্রাণী জগতের অদ্ভুত সব আচরণের ব্যাখ্যা বিবর্ন তত্ত্ব দিতে পেরেছে। সেগুলো শুধু দারুণ চমকপ্রদ নয়, ভূতির মত উদ্ভাবনের মাধ্যমে মানুষের ইতিহাসমত গড়েছে। জীববিদ্যার বিচিত্র কাহিনী যে কত রমঘন হতে পারে তার বহু নমুনা এ বইয়ে রয়েছে। প্রতিষ্ঠিত কিছু বিজ্ঞানের তত্ত্বের নতুন বিবেচনাও এতে গুরুত্বপূর্ তার মধ্যে রয়েছে পদার্ বিদ্যার ও কিছু অদ্ভুত প্রশ্ন।

 

প্রাণী জগতে স্ত্রী প্রাণীদের একটি বিশেষ ক্ষমতা আছে, তারাই শুধু বেশি সঙ্গী। বেছে নিতে পারে, এদিক থেকে তাদেরকে স্বয়ম্বরা বলা যায়, আর তারা বাহারি, রঙচঙে, চোখে পড়ার মত দৈহিক নানা সম্ভার বা আচরণ যুক্ত পুরু  প্রাণীকেই বেছে  নেয়- এক এক প্রাণীর ক্ষেত্রের এক এক রকম কেন হয়,  কেনই বা পছন্দ/স্ত্রীর আর রঙচঙে ইত্যাদি হওয়াটি শুধু পুরুষের, যে কাহিনী দারুণ মজার। এমনি চমকপ্রদ কাহিনী হলো মৌচাকে শ্রমিক মৌমাছিরা সবাই কেন স্ত্রী মশা যারা নিজেদের সন্তান দেয়ার থেকে তাদের একই মায়ের সন্তান বোনদের বড় করতেই সারা জীবন নিয়োজিত করে এবং প্রয়োজনে তাদের জন্য জীবন দেয়। এসব বিজ্ঞানের সৃষ্টিকারদের কারো কারো নিজে কাহিনীও কম দুর্ারে নয়। শিম্পাঞ্জি অভিভাবক হিসেবে কোন কোন শিম্পাঞ্জি দলের সঙ্গে সারা জীবন কাটিয়েছেন বিখ্যাত মহিলা। জেইনগুড। ওরা যেন ছিল তাঁর একটি বাড়তি পরিবার, যার- প্রত্যেক সদস্যের আলাদা চরিত্র, আচার-ব্যবহার, ভালমন্দ তাঁর নিজের সুখ-দু:খের অংশ হয়ে গিয়েছিলো। পাঠকের একবারও মনে হবেনা যে তারা মানুষ নয়। সবগুলো কাহিনীই এভাবে অভিভূত হবার মত।

 

ঐ আকাশ
না ডাকলে

প্রকাশক: মাওলা ব্রাদার্
ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য ৭০ টাকা
 ২০০৩

বইটির পরিচিতি

 

‘কোনো দিন বলাকারা অত দূরে কি, ঐ আকাশ না ডাকলে’ জনপ্রিয় গানটির কথায় আকাশের যে ডাক, তাকেই মানুষ সাড়া দিয়েছিলো, আকাশ তার রোমাঞ্চ অনুভব করেছিলো। আজকের অহরণ বিমাণ ভ্রমনের যুগে সেই রোমাঞ্চ কি শেষ হয়ে গেছে? মোটেই নয়। আধুনিক দূর পাল্লায়র বিমানে যাত্রীবাহী বিমানের পাইলটের আসলে বসে যাত্রা  শুরু থেকে অবতরণ পর্ন্ত পুরো ভ্রমণের প্রত্যেকটি ধাপের বৈজ্ঞানিক চমৎকারিত্ব উপলব্ধি করার জন্যই এই বই।

 

বাতাসের চেয়ে তত ভারী একটি জিনিস আকাশে ভারে কী কৌশলে? ডানার  গঠনে কী জাদু আছে সে যথেষ্ট বেগে এর ওপর-নীচে দিয়ে বাতাস গেলে যেটি পুরো বিমানসহ ভেসে থাকতে পারে? ওভাবেই বিমান তৈরি হয়েছে, এভাবে ওই দীর্ যাত্রা কয়েকশত মানুষ নিরাপদে ও আরামে উপভোগ করার জন্য অসংখ্য ব্যবস্থা তাতে যোগ করা হয়েছে, যেগুলো দিনের পর দিন একই কাজ করে যেতে পারছে। এর প্রত্যেকটি বিজ্ঞানের মধ্যেই রযেছে আকাশের সেই রোমাঞ্চ। যাত্রার কিছু আগে থেকেই শুরু হয় পাইলট আর কোপাইলটের কাজ আরো বিমানের প্রত্যেকটি অংশ ভাল করে চেক করে রাখলেও নিজেরা আবার নিয়ন্ত্রণগুলো আবার পরীক্ষা করে নেন, পুরো দৌড় শুরু করেন উড্ডয়নের জন্য।আমরা বইয়ের পাঠক ও যাত্রী হিসেবে লক্ষ্য কররো তাঁদের আর বিমানের কাজ। আকাশে ভেসে ওঠার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ডানার  আকৃতি এমন অদ্ভুতভাবে বদলে গেল কেন, কিছুক্ষণ পর আবার আগের মত হয়ে গেলো। ভূমিতে গাড়ি যেমন রাস্তা ধরে চলে, আকাশে বিমানও যে এ রকম এমন বেগে গিয়ে তাও রহস্যে ভরা নির্রযোগ্যতার চূড়ান্ত। পাইলটদের সামনে যে অনেক ক’টা নির্শক, মিটার, নিরন্তন তাও রীতিমত ভিরাম খাওয়ার মত। রাতে যখন একপিটে বাতি জ্বালিয়ে দেয়া হয়, কী সুন্দর নানা আলোতে ও পুরো নির্শক প্যানেলটি ফুটে- তাদের প্রত্যেকটি প্রয়োজন কী? গন্তব্যের কা্ছে না আধা পর্ন্ত কম্পিউটার অটোপাইলটের ওপরেই চালাবার আসন দায়িত্ব, কিন্তু যে কোন্ অতিরিক্ত ঝাঁকুনি, উতাল পাতাল ইত্যাদির জন্য, এবং জরুরি অবস্থার জন্য মানুস পাইলটকেও সতর্ক থাকতে হয়।তেমনি কী ব্যবস্থা হবে অবশেষে বলবো অবতরণের পালা- যেটি আরেক কাহিনী। সবকিছু মিলে একটানা পরেই ঘটবে আমাদের বৈজ্ঞানিক আকাশা যাত্রা।

 

আকাশ আলোক
তনুমন প্রাণ

প্রকাশক: মাওলা ব্রাদার্
ডিসকাউন্ট-পূর্বমূল্য ৮০ টাকা
 ২০০২

বইটির পরিচিতি

 

বিমানকে দেখতে সব সময় বড় বড় জিনিসের বড় বড় ঘটনার কাছে যেতে হয়না, বড়-ছোট সব কিছুতে বিজ্ঞানের প্রশ্নের আর রহস্যের শেষ নেই। আকা্শে ওড়ার কথা যদি বলি ফ্লাইডার বেনিকস্টার, রকেট এর প্রত্যেকটি বৈজ্ঞানিক বিশিষ্ট ও বইয়ের প্রধান অংশ। অন্যদিকে এ বই দৈনন্দিন জীবনে অনেকগুলো ছোটছোট ঘটনার মধ্যে খুঁজে পেয়েছে অবাক করা পদার্বিদ্যা!

 

ইঞ্জিনসহ যেমন আকা্শে ওড়া যায় তেমনি ইঞ্জিন ছাড়া অনেকটা ঘুড়ির মতোও আকা্শে ঘুরে বেড়ানো যায়, আবার আকাশে ‍উঠে-স্থির দাঁড়িয়েও থাকা যায়, বাতাস-ছাড়া জায়গাতেও ছোট যায়।  কিন্তু এর প্রত্যেকটির জন্য কৌশলে যোগায় বিজ্ঞানের ভিন্ন ভিন্ন ভঙ্গি, ভিন্ন ভিন্ন আকাশ যানে। তবে বিজ্ঞান আমাদেরকে সব চেয়ে, ছোট ছোট কাজে অদ্ভুত যে ঘটনাগুলো দেখি তার প্রত্যেকটি সুন্দর ব্যাখ্যা যখন বিজ্ঞান থেকে গরি তখন মনে হয় ছোট বড় সব রহস্যকে সবার কাছে মেলে ধরার জন্যই রয়েছে বিজ্ঞান জিনিসটি। তারপর আমাদের দেহ, স্বাস্থ্য, অনুভূতির প্রশ্ন উঠলে সেখানে বিজ্ঞান ভিন্ন ভঙ্গিতে আবার রহস্য ভেদ করে। আমরা সব ডানহাতিদের ভিড়ে একটি শিশু জন্মের পরপর  থেকেই কেন বাঁ হাতি প্রবণতা দেখায়, এবং বাঁ হাতি হয়ে ওঠে? তেমন বিষয়ক আমরা ভাবতে বা মানতেই, কাজ নই। অথচ বিজ্ঞান বলে দেয় বাঁ হাঁতির মাস্তকর তফাতটুকুর কথা, তার জগতে –===== এদিক হয়ে যাওয়ার কথা। বইটি মনে হবে পাঁচমিশালি-ভিন্ন আসলে রবীন্দ্রনাথের কবিতার ছন্দেই- এ আমাদেরকে নিয় যায় ‘আকাশ, আলোক, তনুমন প্রাণের’ জগতে;  এর মধ্যে কোনটি কি বাদ-দেয়ার উপায় আছে?